top of page
nirab_edited.png

Neerav Satya

সত্যেরসামনেদাঁড়িয়েস্বীকারোক্তি

  • Writer: remoiaf2017
    remoiaf2017
  • Feb 15
  • 1 min read

আমি জানতাম না—

একদিন আমার ধর্ম-পাঠ

আমাকেই কাঁপিয়ে দেবে।

ভেবেছিলাম সব ধর্মই

শান্তি শেখায়,

মানুষকে মানুষ হতে বলে।


কিন্তু যখন

নিজের হাতে খুললাম সেই বই—

কেউ ব্যাখ্যা করল না,

কেউ ভুল বুঝাল না—

আমি নিজেই পড়লাম।

কালো কালি, সাদা কাগজ—

সরাসরি লেখা শব্দ।

আর সেই শব্দের ভিতরেই

আমি দেখতে পেলাম—

অদ্ভুত, বিপজ্জনক

একটা বিভাজনের অঙ্ক।


যেখানে “আমরা”

আকাশের দিকে উঁচু করা,

আর “ওরা”

মাটির নীচে ঠেলে দেওয়া—

এমন নির্দেশ, এমন ঘোষণার

কাঁটা ছুঁয়ে গেল আমার মর্মকে।


আমি ভাবলাম—

“এটাই কি সেই পবিত্র শিক্ষা

যার নামে মানুষ মরে?”

“এটাই কি সেই শব্দ

যার শক্তিতে কেউ জঙ্গি হয়?”


হ্যাঁ—

সত্যিই আছে সেই শব্দ।

সত্যিই আছে সেই আগুন।

যা ভুল হাতে পড়লে

মানুষকে মানুষ ভাবতে ভুল শেখায়,

অন্যকে শত্রু ভাবতে বাধ্য করে।


আমি বিস্মিত হলাম—

এগুলো কি সত্যিই লেখা?

হ্যাঁ, লেখা আছে।

এগুলো শুধু ইতিহাস নয়,

এগুলো শুধু ব্যাখ্যা নয়—

নির্দেশের মতো দাঁড়িয়ে থাকা বাক্য।


আমি সেই দিনই

চুপচাপ ধর্মটাকে মনেমনে ছেড়ে দিলাম।

কারও গলায় ফাঁস পরাতে নয়,

বরং নিজের বুকের বেদনা বাঁচাতে।

কারণ আমার বিবেক—

মানুষকে ভাগ করার শিক্ষাকে

স্বীকার করতে পারল না।


তবু-

আমি কাউকে ঘৃণা করি না।

এই ধর্মের মানুষ—

আমার বন্ধু, আমার আত্মার মতো কাছের।

তাদের চোখে আমি উগ্রতা দেখি না—

দেখি সরলতা।

দেখি অন্ধ আস্থা।

দেখি শেখানো শব্দের প্রতি

নির্বাক আনুগত্য।


ভয় পাই এই জন্যই—

কারণ শব্দ আগুন হলে

মানুষ আগুনই হয়ে যায়।

সেই আগুনেই

শিশু সৈনিক- তৈরি হয়,


উগ্র নেতা তৈরি হয়,

আর হাজার হাজার

নিরীহ মানুষ

ঘৃণার বোঝা বইতে বাধ্য হয়।


আমি জানি—

এই সত্য মুখে বললেই

আমার শ্বাস থেমে যাবে

কোনো এক অন্ধ গলিপথে।

কারণ সত্যের শত্রু সবচেয়ে বড়—

অন্ধ বিশ্বাস।


তবুও আমি চাই—

এই ধর্মের সাধারণ মানুষরা

একবার—মাত্র একবার

নি�

Comments

Rated 0 out of 5 stars.
No ratings yet

Add a rating
bottom of page