top of page
nirab_edited.png

Neerav Satya

অন্তর্লিখন

  • Writer: remoiaf2017
    remoiaf2017
  • Feb 15
  • 1 min read

মানুষ অদ্ভুত

যে হাত ধূপ জ্বালায়

সেই হাতই কখনো ইতিহাসের বুকে

কঠিন ট্রিগারের চাপ হয়ে ওঠে।

একদিকে প্রার্থনার অর্ঘ্য,

অন্যদিকে হত্যার যুক্তি—

একই মস্তিষ্কের দুই কক্ষ।


গান্ধী তাঁর সত্যের পথে ছিলেন পরিষ্কার—

কিন্তু নাথুরামের চোখে

সে-সত্য ছিলো অন্ধকারের বিষ।

যে চোখে ঈশ্বরও কখনো শত্রু হয়ে যায়,

সেই চোখ সত্য-মিথ্যার সব রেখাই

এক করে দেয়।


মার্টিন লুথার কিং,

লিংকন,

মুজিব,

ইন্দিরা, রাজীব, বেনজির…

তাদের মৃত্যুর মধ্যে

কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতার গন্ধ নেই—

এ যেন মানুষের

নিজের ছায়াকে ভয় পাওয়ার ইতিহাস।


মানবসভ্যতা এগিয়েছে সামনে,

কিন্তু নিজের ভয়কে

কখনোই পেছনে ফেলে যেতে পারেনি।


আমি ভাবি—

হত্যা কি কখনো

ন্যায়বিচারের ভাষা হতে পারে?

যে ন্যায় অস্ত্রের ধারে নিয়ে আসে,

সে ন্যায় শেষ পর্যন্ত

নিজেকেই গিলে খায় না?


মতভেদ তো নদীর মতো—

গতি তার চিরকালীন।

কিন্তু মানুষ নদীকে

কাঁটাতার দিয়ে আটকে রাখতে চায়।

তর্ক ও যুক্তির জায়গায়

যখন উঠে আসে গুলি,

তখন বুঝি—

সভ্যতার অগ্রগতি

মনে হয়, কেবল বাহ্যিক আয়োজন;

অন্তরে এখনো দুর্বামূলের বর্বরতা।


তবু পৃথিবী—

অদ্ভুতভাবে নির্মল।

মানুষ ধ্বংস করে,

কিন্তু সূর্য প্রতিদিনই

অবিচলভাবে আলো ফেলে যায়।

ফুল ফোটে,

বৃষ্টি নামে,

ফল পাকে,

শিশুরা হাসে—

কোনো সংবাদপত্র

এই অলৌকিক ঘটনাগুলোকে

প্রথম পাতায় রাখে না।


আর খবর কাগজে দেখি—

রাশিয়া ইউক্রেনের উপর নেমে এসেছে

মানুষের ছদ্মবেশে লুকোনো যুদ্ধ।

গাজায়, প্যালেস্টাইনে, রোহিঙ্গাদের আবাসহীন পথে,

রক্তের হিসেব—

যেন কেউ পকেটে রেখে দেয়

ফেলে দেওয়া কয়েনের মতো।


তখন মনে হয়—

মানুষ তার নিজের যন্ত্রণাকেও

অন্যের যন্ত্রণা হিসেবে দেখতে শেখেনি।

বাহ্যিক রক্তের চেয়ে

অন্তর্গত রক্তক্ষরণটাই বেশি ভয়ংকর।

কারণ সেই রক্ত

খবর কাগজে লেখা যায় না।


তবু—

মন অদ্ভুত এক বোকা পাখি।

সব ধ্বংসের মধ্যেও

একটি ডানা ঠিক নড়ে ওঠে—

শূন্য আক�

Comments

Rated 0 out of 5 stars.
No ratings yet

Add a rating
bottom of page